Search This Blog

আপনাকে আপডেট নিউজ এর সাথে পেয়ে আমরা আনন্দিত এবং আপনার সাথে সমস্ত আপডেট শেয়ার করতে আগ্রহী। পরবর্তী আপডেটের জন্য আমাদের সাথেই থাকুন।
Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

আবহাওয়া ও তাপমাত্রা

দীর্ঘদিন তীব্র গরমের পর ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় আজ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে যে, রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় অস্থায়ী ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।

আজকের সর্বশেষ খবর

» » বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব ‘গরিবের পকেট কাটার অপচেষ্টা’: জেডিপি

 

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের প্রতিবাদ জেডিপির। ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুতের মূল্য ও স্ল্যাব কাঠামো পরিবর্তনের প্রস্তাবকে ‘গরিব ও নিম্নমধ্যবিত্তবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে তা অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেটিক পার্টি (জেডিপি)। দলটির আহ্বায়ক বলেছেন, বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি, অপচয় ও নীতিগত ব্যর্থতার দায় সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের সামনে “বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর নামে গরিবের পকেট কাটার প্রস্তাব বাতিলের দাবিতে” আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে জেডিপি।
নাঈম আহমাদ বলেন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) প্রস্তাব অনুযায়ী বিদ্যুতের দাম ও স্ল্যাব কাঠামো পরিবর্তনের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ২ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা আদায়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে নিম্ন আয়ের মানুষ, শ্রমজীবী পরিবার, শিক্ষার্থী ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণি।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের ছোট বাসা ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর বড় অংশ মাসে ১০০ থেকে ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। নতুন প্রস্তাব কার্যকর হলে তাদের মাসিক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে।

জেডিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, বিদ্যুৎ খাতের প্রকৃত সংকট উৎপাদন ঘাটতির কারণে নয়; বরং দীর্ঘদিনের ভুল পরিকল্পনা, উচ্চমূল্যের বিদ্যুৎকেন্দ্র, দুর্নীতি, অদক্ষ ব্যবস্থাপনা ও অপচয়ের কারণে তৈরি হয়েছে। চাহিদার তুলনায় উৎপাদন সক্ষমতা বেশি থাকা সত্ত্বেও জনগণকে লোডশেডিং ও মূল্যবৃদ্ধির চাপ সহ্য করতে হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নাঈম আহমাদ অভিযোগ করেন, গত দেড় দশকে উচ্চমূল্যের তেলভিত্তিক ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রের অনেকগুলো অলস পড়ে থাকলেও মালিকদের হাজার হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হয়েছে। এখন সেই ব্যর্থ নীতির দায় সাধারণ মানুষের বিদ্যুৎ বিল বাড়িয়ে আদায়ের চেষ্টা চলছে।তিনি বলেন, দেশে আয়বৈষম্য বাড়ছে। নিত্যপণ্যের দাম, বাড়িভাড়া, শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যয়ের চাপে থাকা মানুষ বিদ্যুতের দাম বাড়লে আরও সংকটে পড়বে। “বিদ্যুৎ মানুষের মৌলিক প্রয়োজন, বিলাসপণ্য নয়,” যোগ করেন তিনি।

প্রতিবাদ সভা থেকে জেডিপি কয়েকটি দাবি তুলে ধরে। এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুতের দাম ও স্ল্যাব কাঠামো পরিবর্তনের প্রস্তাব বাতিল, গরিব মানুষের জন্য ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত স্বল্পমূল্যের লাইফলাইন ট্যারিফ নির্ধারণ, বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি ও অস্বচ্ছ চুক্তির তদন্ত, ক্যাপাসিটি চার্জনির্ভর নীতির পুনর্মূল্যায়ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিনির্ভর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ।

এছাড়া পোস্টপেইড মিটারের মতো প্রিপেইড মিটারের ক্ষেত্রেও মাস শেষে স্ল্যাব উল্লেখ করে এসএমএসের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিস্তারিত তথ্য গ্রাহকদের জানানোর দাবি জানানো হয়।

এমআর/এআর

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply