আবহাওয়া ও তাপমাত্রা
আজকের সর্বশেষ খবর
৩০০ পদে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
By: Md. Sohel Rana on May 15, 2026 / comment : 0 Job
আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক (AVUB Job Circular 2026, Ansar-VDP Unnayan Bank Recruitment) তাদের স্থায়ী শূন্য পদসমূহ পূরণের লক্ষ্যে প্রকৃত বাংলাদেশী নাগরিকদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদন আহ্বান করছে। নিচে পদের নাম, যোগ্যতা এবং আবেদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত দেওয়া হলো।
পদের বিবরণ ও বেতন স্কেল
পদের নাম: ডাটা এন্ট্রি অপারেটর (গ্রেড-১৬)।
পদ সংখ্যা: ৩০০টি (তিনশত)।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০ – ২২,৪৯০/- টাকা।
আবেদনের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা
যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।
কম্পিউটার বা ডাটা এন্ট্রি সংক্রান্ত সরকারি স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ বা কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
কম্পিউটার টাইপিংয়ে প্রতি মিনিটে বাংলায় সর্বনিম্ন ২০ শব্দ এবং ইংরেজিতে ২৮ শব্দের গতি থাকতে হবে।
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে 'Standard Aptitude Test'-এ উত্তীর্ণ হতে হবে।
আবেদনের শর্তাবলী ও বয়সসীমা
বয়সসীমা: ০১ মে ২০২৬ তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়।
আবেদন মাধ্যম: শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে। কোনো হার্ডকপি বা ডাকযোগে আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না।
প্রার্থী বাছাই: প্রার্থীকে লিখিত, ব্যবহারিক এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
আবেদন করার সময়সীমা
অনলাইনে আবেদন শুরু: ১৪ মে ২০২৬, সকাল ১০:০০ টা।
আবেদনের শেষ তারিখ: ১৩ জুন ২০২৬, বিকাল ৫:০০ টা।
আবেদন ফি ও পদ্ধতি
টেলিটক প্রি-পেইড সিমের মাধ্যমে এসএমএস করে আবেদন ফি জমা দিতে হবে।
অনলাইনে আবেদনের লিংক
আগ্রহী প্রার্থীরা এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন: https://avub.teletalk.com.bd/
৯৬৮ জনকে নিয়োগ দেবে জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়
By: Md. Sohel Rana on May 15, 2026 / comment : 0 Job
নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়। প্রতিষ্ঠানটি জেলা জজ এবং এর অধীনে আদালত/ট্রাইব্যুনালসমূহে ৮টি পদে ৯৬৮ জনকে নিয়োগ দেবে। আবেদন শুরু হবে ১৮ মে ২০২৬ তারিখ সকাল ১০টায়, চলবে ৪ জুন বিকেল ৫টা পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।
এক নজরে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬
পদের বিবরণ
আবেদন করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
আবেদন শুরু: ১৮ মে ২০২৬ তারিখ সকাল ১০টা
আবেদনের শেষ তারিখ: ৪ জুন ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫টা পর্যন্ত
আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে
চাকরির ধরন: স্থায়ী
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান
বয়স: ১ মে ২০২৬ তারিখ ১৮-৩২ বছর। বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৪০ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার এফিডেভিট গ্রহনযোগ্য হবে না।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়। আবেদনের সঙ্গে ৩০০-৩০০ সাইজের ছবি ও ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পরে এবং অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না।
আবেদন ফি: টেলিটক প্রি-পেইড সিমের মাধ্যমে ১-৫ নং পদের জন্য ১১২ টাকা, ৬-৮ নং পদের জন্য ৫৬ টাকা অফেরতযোগ্য হিসেবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাঠাতে হবে।
বিমান কেন অ্যান্টার্কটিকার ওপর দিয়ে উড়ে না?
By: Md. Sohel Rana on May 14, 2026 / comment : 0 News
বিশ্বের মানচিত্রের দিকে তাকালে দেখা যায়, উত্তর গোলার্ধের দীর্ঘ পাল্লার ফ্লাইটগুলো প্রায়ই উত্তর মেরুর খুব কাছ দিয়ে যাতায়াত করে। উত্তর আমেরিকা থেকে এশিয়া বা ইউরোপে যাওয়ার সময় বিমানগুলো গ্রিনল্যান্ড বা উত্তর মহাসাগরের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। কিন্তু দক্ষিণ গোলার্ধের ক্ষেত্রে চিত্রটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। দক্ষিণ মেরু বা অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের ওপর দিয়ে বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী বিমান চলাচলের দৃশ্য প্রায় বিরল বললেই চলে। ভৌগোলিক অবস্থান, বৈশ্বিক চাহিদা এবং নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এই পার্থক্যের পেছনে মূল কারণ হিসেবে কাজ করে।
বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে সাধারণত মানচিত্রের সরল রেখা অনুসরণ করা হয় না বরং 'গ্রেট সার্কেল রুট' বেছে নেওয়া হয়। উত্তর গোলার্ধের প্রধান শহরগুলো এমনভাবে অবস্থিত যে, নিউইয়র্ক থেকে হংকং কিংবা লন্ডন থেকে টোকিও যাওয়ার সবচেয়ে ছোট পথটি উত্তর মেরুর ওপর দিয়ে যায়। এই মেরু অঞ্চল ব্যবহার করার ফলে এয়ারলাইনগুলোর শত শত মাইল দূরত্ব কমে আসে। এতে যেমন জ্বালানি সাশ্রয় হয়, তেমনি যাত্রীদের ভ্রমণের সময়ও অনেকখানি কমে যায়। ফলে এটি এয়ারলাইনগুলোর জন্য আর্থিকভাবে লাভজনক একটি রুট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
অন্যদিকে, দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে তাকালে দেখা যায় যে বড় শহরগুলোর অবস্থান উত্তর গোলার্ধের মতো ঘনবদ্ধ নয়। সিডনি, জোহানেসবার্গ বা সান্তিয়াগোর মতো শহরগুলোর মধ্যবর্তী সংক্ষিপ্ত পথগুলো দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি গেলেও সরাসরি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ পার হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই রুটগুলো বিশাল সমুদ্রের ওপর দিয়েই সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে ভৌগোলিকভাবে অ্যান্টার্কটিকা অতিক্রম করা উত্তর মেরুর মতো ততটা অপরিহার্য হয়ে ওঠেনি।
জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকেও অ্যান্টার্কটিকা অনেকটা পিছিয়ে। উত্তর গোলার্ধে বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ বসবাস করে এবং এশিয়া, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার মধ্যে আকাশপথে ভ্রমণের বিশাল চাহিদা রয়েছে। কিন্তু অ্যান্টার্কটিকায় কোনো স্থায়ী জনবসতি বা বাণিজ্যিক কেন্দ্র নেই। সেখানে কোনো বড় শহর বা বিমানবন্দর না থাকায় এই মহাদেশকে কেন্দ্র করে কোনো যাত্রীবাহী ফ্লাইটের গন্তব্য তৈরি হয়নি। অর্থনৈতিকভাবে কোনো লাভ না থাকায় এয়ারলাইনগুলো এই দুর্গম পথে ঝুঁকি নিতে আগ্রহী হয় না।
বিমান চলাচলের অন্যতম বড় শর্ত হলো নিরাপত্তা ও জরুরি অবতরণের সুবিধার নিয়ম। এই নিয়ম অনুযায়ী, কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে বিমানটিকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিকটস্থ কোনো বিমানবন্দরে অবতরণ করার সক্ষমতা থাকতে হয়। উত্তর মেরু অঞ্চলে আলাস্কা, কানাডা, আইসল্যান্ড বা নরওয়ের বেশ কিছু আধুনিক বিমানবন্দর রয়েছে যা জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু অ্যান্টার্কটিকায় এমন কোনো বাণিজ্যিক বিমানবন্দর নেই। সেখানে কেবল কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্রের বরফে ঢাকা রানওয়ে রয়েছে, যা সাধারণ যাত্রীবাহী বিমানের জন্য উপযুক্ত নয়।
প্রাকৃতিক পরিবেশের দিক থেকেও অ্যান্টার্কটিকা অত্যন্ত চরম ভাবাপন্ন। এটি পৃথিবীর শীতলতম এবং সবচেয়ে বেশি ঝড়ো হাওয়ার অঞ্চল। এখানকার তাপমাত্রা মাঝেমধ্যে হিমাঙ্কের নিচে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও নিচে নেমে যায়। এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে চলা অন্ধকার এবং ঘন ঘন তুষারঝড় বা 'হোয়াইট আউট' পরিস্থিতির কারণে আবহাওয়া পূর্বাভাস দেওয়া এখানে বেশ কঠিন। এমন প্রতিকূল পরিবেশে জরুরি অবতরণ বা উদ্ধারকাজ চালানো প্রায় অসম্ভব বললেই চলে, যা বাণিজ্যিক ফ্লাইটের জন্য বিশাল এক ঝুঁকির কারণ।
ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, স্নায়ুযুদ্ধের সময় উত্তর মেরু অঞ্চল সামরিক ও কৌশলগত কারণে অনেক গুরুত্ব পেয়েছিল। ফলে সেখানে নেভিগেশন ও অবকাঠামোর দ্রুত উন্নয়ন ঘটে যা পরবর্তীকালে বাণিজ্যিক বিমান চলাচলে সহায়ক হয়। কিন্তু অ্যান্টার্কটিকা নিয়ে এমন কোনো ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ছিল না। এছাড়া ১৯৭৯ সালে এয়ার নিউজিল্যান্ডের একটি পর্যটন বিমান মাউন্ট ইরেবাসে বিধ্বস্ত হওয়ার মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি অ্যান্টার্কটিকা অঞ্চলে বিমান চালানোর ঝুঁকিগুলো বিশ্ববাসীর সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছিল।
বর্তমানে লাতাম বা কোয়ান্টাসের মতো কিছু এয়ারলাইন দক্ষিণ গোলার্ধের রুটে যাতায়াতের সময় অ্যান্টার্কটিকার উপকূলীয় অঞ্চলের কিছুটা কাছাকাছি দিয়ে উড়ে যায়। তবে তা মূলত অনুকূল বায়ুপ্রবাহ এবং নির্দিষ্ট দূরত্বের সীমাবদ্ধতা মেনে করা হয়। মূলত আধুনিক প্রযুক্তি এবং শক্তিশালী ইঞ্জিনের বিমান থাকা সত্ত্বেও অবকাঠামোগত অভাব এবং চরম আবহাওয়ার কারণে অ্যান্টার্কটিকা এখনো বাণিজ্যিক বিমান চলাচলের জন্য একটি নিষিদ্ধ অঞ্চল হিসেবেই রয়ে গেছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে ব্যাটারিচালিত রিকশা আসছে করজালে
By: Md. Sohel Rana on May 12, 2026 / comment : 0 News
ব্যাটারিচালিত রিকশা আসছে করজালে
মোঃ সোহেল রানা
প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ১০:১০পিএম
রাজস্ব আদায় বাড়াতে মরিয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। খুঁজছে নতুন নতুন খাত। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রাইভেটকার, জিপ ও সিএনজি অটোরিকশার মতো ব্যাটারিচালিত রিকশার ওপরও এক হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর আরোপের চিন্তা করছে সংস্থাটি। এছাড়া সিসিভেদে মোটরসাইকেলের ওপরও ২ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর আরোপ করা হতে পারে। দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
রাজধানীসহ সারা দেশে কত ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে, নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা না থাকায় তার সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। খাতসংশ্লিষ্টদের ধারণা, সারা দেশে ৫০ লাখেরও বেশি ব্যাটারিচালিত রিকশা রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাতেই চলাচল করছে ১০-১২ লাখের মতো। এসব রিকশা নিবন্ধনের আওতায় আনতে গত বছর ‘বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২৫’র খসড়া করেছিল সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ।
খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, গতি ও গাড়ির ধরনভেদে বিআরটিএ থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন নিতে হবে। কোনো ব্যক্তি নিজ নামে মধ্যমগতির তিনটির বেশি বা গঠিত পরিবহণ কোম্পানির নামে ২৫টির বেশি অটোরিকশা ক্রয় ও নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। ধীরগতির অটোরিকশার ক্ষেত্রে একই ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচটি কিনতে ও নিবন্ধন করতে পারবেন। অনুমোদিত ডিলার বা বিক্রেতা নিবন্ধনসংক্রান্ত যাবতীয় কাজ সম্পন্ন না করে মধ্যম ও ধীরগতির বৈদ্যুতিক-অটোরিকশা ক্রেতার কাছে হস্তান্তর করতে পারবেন না। বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলারের ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্ধারিত হারে কর বা শুল্ক প্রযোজ্য হবে। এ নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত থ্রি-হুইলার ও সমজাতীয় মোটরযান চলাচলের ক্ষেত্রে নিবন্ধন সনদ, হালনাগাদ ফিটনেস সনদ, ট্যাক্স টোকেন গ্রহণের বাধ্যবাধকতা আওতায় আনা হয়।
অন্যদিকে গত ২৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন ২০০৯ সংশোধন করা হয়। এতে সিটি করপোরেশনকে ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলারের নিবন্ধন ও অনুমোদনের ক্ষমতা দেওয়া হয়।
সূত্র জানায়, এলাকাভেদে অটোরিকশার করহার ভিন্ন হবে। লাইসেন্স প্রদান বা নবায়নের সময় এই কর আদায় করবে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ। ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন সিটি করপোরেশন এলাকার মধ্যে হলে ৫ হাজার, পৌরসভায় হলে দুই হাজার ও ইউনিয়নের ক্ষেত্রে প্রতিবছর এক হাজার টাকা কর দিতে হবে।
বর্তমানে সিএনজি অটোরিকশা ও প্রাইভেট কার, জিপ, এমনকি বাস-ট্রাক-পিকআপের ওপর অগ্রিম আয়কর আরোপিত আছে। সিএনজিতে অগ্রিম আয়কর আড়াই হাজার টাকা দিতে হয়। প্রাইভেটকার ও জিপ গাড়ির সিসিভেদে আয়কর ২৫ হাজার টাকা থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে ৫২ সিটের বেশি আসনের বাসের অগ্রিম আয়কর ২৫ হাজার টাকা, এর কম আসনের বাসের ২০ হাজার টাকা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসে ৫০ হাজার টাকা, দোতলা বাস ও এসি মিনিবাস বা কোস্টারের ২৫ হাজার টাকা, নন-এসি মিনিবাস বা কোস্টারের অগ্রিম আয়কর সাড়ে ১২ হাজার টাকা।
এদিকে সিসিভেদে মোটরসাইকেলের ওপর অগ্রিম আয়কর আরোপ করা হতে পারে। ১১০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে কোনো অগ্রিম আয়কর দিতে হবে না। তবে ১১১ থেকে ১২৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে বছরে কর দুই হাজার টাকা। ১২৬ থেকে ১৬৫ সিসি পর্যন্ত পাঁচ হাজার টাকা এবং ১৬৫ সিসির বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরসাইকেলের জন্য প্রতিবছর ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর দিতে হবে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সবশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৮০।
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হাদিউজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, সড়ক আইনে মোটরসাইকেল বৈধ বাহন। তাই ব্যক্তিগত গাড়ি বা অন্য যানবাহনের মতো এই বাহনের ওপর অগ্রিম আয়কর আরোপ যুক্তিযুক্ত, তাছাড়া অনেক ক্ষেত্রে এটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয়। এতে করজালের কলেবর বাড়বে। যারা কর দিচ্ছে, তাদের ওপর চাপ কমবে। তিনি আরও বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশায় অগ্রিম আয়কর আরোপের ক্ষেত্রে সরকারকে আরও কৌশলী হওয়া উচিত। কেননা এরই মধ্যে রাজধানীর সড়কে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত এসব স্বল্পগতির বাহন চলাচল করছে। এগুলোর কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত যানজট ও দুর্ঘটনা ঘটছে। যার আর্থিক ক্ষতি হয়তো অগ্রিম আয়কর আরোপে সরকার যে রাজস্ব আদায় করবে তার চেয়ে বহুগুণ বেশি হবে। এ অবস্থায় অগ্রিম আয়কর আরোপের আগে অটোরিকশার সংখ্যা ও সড়কের সঙ্গে মানানসই বাহন নির্ধারণ জরুরি।
জানা যায়, বর্তমানে মোটরসাইকেল চালকদের অগ্রিম আয়কর দিতে হয় না। শুধু এককালীন নিবন্ধন ফি ও ২ বছর পরপর রোড ট্যাক্স দিতে হয়। ৫০ থেকে ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলের সর্বমোট রেজিস্ট্রেশন ফি ৯ হাজার ২৯১ টাকা। পরবর্তী ২ বছর পরপর প্রতি কিস্তি এক হাজার ১৫০ টাকা করে ৪টি কিস্তিতে অবশিষ্ট ৪ হাজার ৬০০ টাকা রোড ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়। ১২৫ সিসির বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন ফি ১১ হাজার ৭৬৪ টাকা। পরবর্তী ২ বছর পরপর প্রতি কিস্তি ২,৩০০ টাকা করে ৪টি কিস্তিতে অবশিষ্ট ৯ হাজার ২০০ টাকা রোড ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়।
বিদ্যমান আয়কর আইন অনুযায়ী, গাড়ির মালিকদের প্রতিবছর ফিটনেস নবায়নের সময় নির্দিষ্ট হারে অগ্রিম আয়কর দিতে হয়, যা বার্ষিক আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় মূল করের সঙ্গে সমন্বয় করা যায়। একইভাবে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও মোটরসাইকেল মালিকরা অগ্রিম আয়কর রিটার্নের সঙ্গে সমন্বয় করতে পারবে।
আরও পড়ুন
Newspapers
ব্রেকিং নিউজ অ্যালার্ট
বৈদেশিক বাণিজ্যে স্বল্পমেয়াদি অর্থায়নের ক্ষেত্রে সুদের হার বা মোট খরচের হার বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রণীত ভিত্তি সুদ হার সোফর (সিকিউরড ওভারনাইট ফিন্যান্সিং রেট) রেট বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক মুদ্রার ভিত্তি সুদের হারের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ যোগ করে সুদের হার নির্ধারিত হবে।
এ হারে ব্যাংকগুলোকে আমদানিতে অর্থায়ন, রপ্তানি বিল কেনা ও অগ্রিম আমদানির বিল পরিশোধ করতে হবে। ওই সীমার মধ্যে থেকেই সেবার সুদ, ফি বা কমিশন এবং অন্যান্য চার্জ দিতে হবে।
সোমবার এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের পাঠানো হয়েছে। এ নির্দেশনা জারির দিন থেকেই কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে বৈদেশিক বাণিজ্যের খরচ কমবে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে। বর্তমানে ব্যাংকগুলোকে বৈদেশিক বাণিজ্যের ওইসব সেবার বিপরীতে আরও বেশি অর্থ খরচ করতে হয়। এ খাতে খরচ কমলে আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রমে অর্থ সাশ্রয় হবে।
বর্তমানে সিকিউরড ওভারনাইট ফিন্যান্সিং রেট বা সোফর রেট হচ্ছে ৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এর সঙ্গে আরও ৩ শতাংশ যোগ করলে ঋণের সুদের হার দাঁড়ায় ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ। অর্থাৎ এখন থেকে আমদানি রপ্তানি বা অন্যান্য বৈদেশিক অর্থায়নের ক্ষেত্রে সেবার মোট খরচ হবে ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ। আগে এ খাতে খরচ হতো ৮ থেকে ৯ শতাংশ। ফলে এ খাতে খরচ কমবে। ব্যাংকগুলোকে এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে ও অর্থের জোগান নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে ইউরো মুদ্রায় ভিত্তি সুদের হার ইউরোর রেট এখন ২ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এর সঙ্গে ৩ শতাংশ যোগ করলে খরচ হবে ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ।
সূত্র জানায়, এ খাতে অর্থায়নের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত মুনাফা করত। যে কারণে এতে খরচ বেশি হতো। এখন থেকে এ হার বেঁধে দেওয়ার ফলে ব্যাংকগুলোর মুনাফা যেমন কমবে, তেমনি আমদানি রপ্তানিতে খরচও কমবে।
লালমাই পাহাড়ের রহস্য উন্মোচনে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে অনুসন্ধানের দাবি
By: Md. Sohel Rana on May 10, 2026 / comment : 0 News
বিশেষ সংবাদ: লালমাই পাহাড়ের রহস্য উন্মোচনে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে অনুসন্ধানের দাবি
দীর্ঘদিন ধরে লালমাই এলাকার মানুষের মধ্যে একটি সাধারণ বিশ্বাস কাজ করছে যে, এখানে তেলের বিশাল মজুত থাকা সত্ত্বেও কোনো এক 'অদৃশ্য শক্তি' বা বিদেশি স্বার্থে তা ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, দেশীয় প্রতিষ্ঠান বা রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর আস্থার অভাব থাকায় বারবার অনুসন্ধান চললেও সঠিক তথ্য সামনে আসছে না। তাদের মতে, অতীতে 'তেল কম' বলে যে যুক্তি দিয়ে খনিটি বন্ধ করা হয়েছিল, তার পেছনে বড় ধরনের কোনো তথ্য গোপন করার সম্ভাবনা রয়েছে।
আন্দোলনরত স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে:
- দুর্নীতি রোধ: সেনাবাহিনীর কঠোর শৃঙ্খলার মধ্যে কাজ হলে এখানে কোনো অসাধু কর্মকর্তা বা সিন্ডিকেট তথ্য গোপন বা অর্থ আত্মসাৎ করতে পারবে না।
- জাতীয় সম্পদের সুরক্ষা: দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই অমূল্য সম্পদের পাহারাদার হিসেবে সামরিক বাহিনীই সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য।
- বিদেশি হস্তক্ষেপ বন্ধ: কোনো আন্তর্জাতিক শক্তির চাপে যাতে অনুসন্ধান বন্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করতে সামরিক তদারকি জরুরি।
দাবিতে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনী কেবল নিরাপত্তা নয়, বরং তাদের তত্ত্বাবধানে জাপান বা নরওয়ের মতো নিরপেক্ষ দেশের উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি 'হাই-লেভেল সায়েন্টিফিক সার্ভে' পরিচালনা করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় প্রতিটি ড্রিলিং এবং সিসমিক সার্ভের রিপোর্ট সরাসরি জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে।
যদিও সরকার বা বাপেক্স এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি, তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন মেগা প্রজেক্টে সেনাবাহিনীর সম্পৃক্ততা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
সরকার ৭ দিন ছুটি দিলো শ্রমিকরা কতদিন পাবে?
By: Md. Sohel Rana on May 09, 2026 / comment : 0 News
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ঈদে টানা ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু দেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকরা কতদিন ছুটি পাবেন— সেই প্রশ্ন এখনো স্পষ্ট নয়।
যে শ্রমিকদের ঘামে দেশের রপ্তানি আয় আসে, যাদের পরিশ্রমে সচল থাকে হাজার হাজার কারখানা, ঈদের সময় তারাই সবচেয়ে বেশি অনিশ্চয়তায় থাকেন। অনেক শ্রমিক শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জানতে পারেন না কবে ছুটি পাবেন, কবে বাড়ি যেতে পারবেন, এমনকি বেতন-বোনাস সময়মতো হাতে পাবেন কি না সেটাও থাকে দুশ্চিন্তায়।
প্রতিবছর ঈদের আগে দেখা যায়—
দীর্ঘ যানজট, অতিরিক্ত ভাড়া, পরিবারের কাছে পৌঁছানোর তাড়া আর কারখানার অনিশ্চিত সিদ্ধান্তের কারণে শ্রমিকদের ভোগান্তি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
একজন শ্রমিকও মানুষ।
তারও পরিবার আছে, সন্তান আছে, বাবা-মায়ের সঙ্গে ঈদ করার স্বপ্ন আছে। তাহলে কেন প্রতি ঈদেই শ্রমিকদের ছুটি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হবে?
আমরা চাই—
✔ সময়মতো বেতন-বোনাস পরিশোধ
✔ পর্যাপ্ত ঈদ ছুটি
✔ নিরাপদে বাড়ি ফেরার সুযোগ
✔ শ্রমিকদের সঙ্গে মানবিক আচরণ
শ্রমিক বাঁচলে শিল্প বাঁচবে।
সম্মান ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হলেই দেশের গার্মেন্টস শিল্প আরও এগিয়ে যাবে।
সিলেটে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম, আনসার-ভিডিপি সদস্যদের তৎপরতায় আটক স্বামী
By: Md. Sohel Rana on May 08, 2026 / comment : 0 News
সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলাধীন ১৩ নং বিছানাকান্দি ইউনিয়নের ০২ নং ওয়ার্ডের বগাইয়া গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করে পুলিশের নিকট সোপর্দ করেছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা।
বগাইয়া গ্রামের আবুল কালাম (৫৫) ও তাঁর স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম (৪০)-এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। আজ সকাল আনুমানিক ১১:০০ টার দিকে হোসনেয়ারা বেগম নিজ বসতঘরে রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় তাঁর স্বামী আবুল কালাম পিছন দিক থেকে অতর্কিতভাবে দা দিয়ে কুপিয়ে তাঁকে গুরুতর আহত করেন।
হঠাৎ চিৎকার শুনে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় হোসনেয়ারা বেগমকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার সংবাদ পেয়ে উক্ত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো: শাহাবুদ্দিন মোবাইল ফোনে ১৩ নং বিছানাকান্দি ইউনিয়নের আনসার ও ভিডিপি দলনেত্রী মোছা: পিয়ারা বেগমকে অবহিত করেন।
সংবাদ পাওয়ার পর আনসার ও ভিডিপির দলনেত্রী মোছা: পিয়ারা বেগম, ইউনিয়ন দলনেতা মোঃ শাহিদ আহমদ এবং স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতায় তাৎক্ষণিক তৎপরতা চালিয়ে অভিযুক্ত আবুল কালামকে আটক করতে সক্ষম হন।
পরবর্তীতে আটককৃত আবুল কালামকে গোয়াইনঘাট থানায় পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হয়। বর্তমানে তিনি গোয়াইনঘাট থানায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের দ্রুত ও সাহসী পদক্ষেপের কারণে অভিযুক্তকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা সম্ভব হয়েছে। জননিরাপত্তা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের পাশে থেকে নিরলসভাবে কাজ করার মাধ্যমে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী যে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করে চলেছে, এ ঘটনাও তার আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ।
অ্যাপ ডাউনলোড করুন
সর্বশেষ
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব ‘গরিবের পকেট কাটার অপচেষ্টা’: জেডিপি
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের প্রতিবাদ জেডিপির। ছবি: সংগৃহীত বিদ্যুতের মূল্য ও স্ল্যাব কাঠামো পরিবর্তনের প্রস্তাবকে ‘গরিব ও নিম্নমধ্যবি...








