Search This Blog

আপনাকে আপডেট নিউজ এর সাথে পেয়ে আমরা আনন্দিত এবং আপনার সাথে সমস্ত আপডেট শেয়ার করতে আগ্রহী। পরবর্তী আপডেটের জন্য আমাদের সাথেই থাকুন।
Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩

🌸 সঠিক খবর নিয়ে আপডেট নিউজ আপনার পাশে 🌸 🎉 শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ 🎉 নতুন বছরের শুভক্ষণে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। নতুন বছর বয়ে আনুক সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও সফলতা। 👤 মোঃ সোহেল রানা এমডি এন্ড সিইও

আজকের সর্বশেষ খবর

পহেলা বৈশাখে কোথায় ঘুরবেন, ঢাকার যেসব জায়গায় হচ্ছে মেলা

 


 পহেলা বৈশাখ মানেই নারীরা লাল শাড়ি, পুরুষের পরনে সাদা পাঞ্জাবি, মেলায় ঘুরাঘুরি, মুড়ি-মুড়কি, বাতাসা খাওয়া, পুতুল নাচ দেখা। শৈশবে আমাদের স্মৃতিতে পহেলা বৈশাখের আয়োজন ছিল এমনই। বাবা-মায়ের সঙ্গে মেলায় গিয়ে প্লাস্টিক বা মাটির হাড়ি-পাতিল, পুতুল-ঘোড়া খেলনা কেনা। মজার মজার বাতাসা, হাওয়াই মিঠাই, খাওয়া। সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল হাতি-ঘোড়া সদৃশ বাতাসা কেনা।

তবে শহরের কোলাহলে এসব কেবলই স্মৃতি। এখনকার শিশুরা সেসব উপভোগ করতে পারে না নব্বই দশকের শিশুদের মতো। তাই বলে তো পহেলা বৈশাখের দিন তো ঘরে বসে থাকা যায় না। পহেলা বৈশাখ ঘিরে ঢাকার বিভিন্ন প্রান্তে বসছে নানা আয়োজন মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খাবার আর গ্রামীণ খেলাধুলার সমারোহ। পরিবার, বন্ধু কিংবা প্রিয়জনদের সঙ্গে দিনটি উপভোগ করতে পারেন। জেনে নিন রাজধানীর কোথায় কোথায় জমছে বৈশাখী মেলা।

বিসিক মেলা

বাংলা একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা

বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১৪ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী ‘বৈশাখী মেলা ১৪৩৩’ আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)-এর সহযোগিতায় এই মেলায় থাকছে দেশের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পের বিশাল সমাহার। নকশিকাঁথা, মাটির পণ্য, বাঁশ-বেতের কাজ, গৃহসজ্জার সামগ্রী-সবকিছুই পাওয়া যাবে এক জায়গায়। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে মেলাটি।

 

এসএমই বৈশাখী মেলা

বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র, আগারগাঁও

এসএমই ফাউন্ডেশন আয়োজিত এই মেলা বসেছে বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে। ১২ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত চলা এই মেলায় রয়েছে ৩০০টিরও বেশি স্টল। দেশীয় উদ্যোক্তাদের পণ্য, বৈচিত্র্যময় খাবার এবং প্রতিদিনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মেলাটিকে করেছে আরও প্রাণবন্ত। পাশাপাশি নাগরদোলা, বায়োস্কোপ, টিয়া পাখির খেলা ও বানর খেলার মতো বিনোদনও রয়েছে। প্রবেশমূল্য মাত্র ৩০ টাকা।

 


লাল বৈশাখী

কামাল আতাতুর্ক পার্ক, বনানী

বনানীর কামাল আতাতুর্ক পার্ক-এ ১৩ ও ১৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘লাল বৈশাখী’। আয়োজনে থাকছে নাগরদোলা, বায়োস্কোপ, ফটোবুথ, বালিশ খেলা ও মিউজিক্যাল চেয়ারের মতো মজার আয়োজন। কনসার্টে পারফর্ম করবেন হাবিব ওয়াহিদ ও রেনেসাঁ, লেভেল ফাইভ, নেমেসিস ব্যান্ড। এছাড়া থাকছে স্ট্যান্ডআপ কমেডিও। প্রতিদিন ৩০০ টাকা টিকিটে প্রবেশ করা যাবে।

বৈশাখী আয়োজন

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল

ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার উইন্টার গার্ডেন ও রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে ১৪ এপ্রিল আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ বৈশাখী মেলা। এখানে থাকছে নাচ, গান, নাগরদোলা এবং বৈশাখী খাবারের সমাহার। কিছুটা প্রিমিয়াম এই আয়োজনে প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০০ টাকা।


 

বৈশাখী মেলা

দ্য রিভার এজ রেস্তোরাঁ, মিরপুর

মিরপুরের দ্যা রিভার এজ রেস্তোরাঁ-এ ১২ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত চার দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। পরিবার নিয়ে আরামদায়ক পরিবেশে খাওয়া-দাওয়া ও ছোটখাটো উৎসব উপভোগ করতে চাইলে এটি হতে পারে ভালো একটি অপশন।

বৈশাখী মেলা

এয়ার ফোর্স বেইজক্যাম্প, আগারগাঁও

বাংলাদেশ এয়ার ফোর্স-এর উদ্যোগে ১৪ এপ্রিল দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলা এই আয়োজনে থাকছে বায়োস্কোপ, মেহেদি উৎসব, ফেস পেইন্টিং, ক্যারিকেচার, বাউল গান ও পটারি হুইল। পাশাপাশি লাটিম, মার্বেল, দাঁড়িয়াবান্ধা, রণপা, লুডু ও ক্যারামের মতো ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলাও থাকবে। খাবারের তালিকায় থাকবে নানা বাঙালি পদ।

উৎসবে বৈশাখ

শেফস টেবিল কোর্টসাইড, মাদানী অ্যাভিনিউ, ভাটারা

ভাটারার শেফস টেবিল কোর্টসাইড-এ ১৪ এপ্রিল আয়োজন করা হচ্ছে ‘উৎসবে বৈশাখ’। আলপনা, পাপেট শো, বাউল গান, নাগরদোলা ও বিভিন্ন খেলাধুলার পাশাপাশি বিকেল ৩টা থেকে শুরু হবে কনসার্ট। সাধারণ প্রবেশ টিকিট ২০০ টাকা, আর কনসার্ট উপভোগ করতে খরচ হবে ৮০০ টাকা।


আর্কা বৈশাখ ১৪৩৩

আলোকি, গুলশান

গুলশানের আলোকিতে ১৩ ও ১৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে ‘অর্ক বৈশাখ ১৪৩৩’। এখানে থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খাবার ও বিনোদনের নানা আয়োজন, যা নগর জীবনের মাঝে বৈশাখের আমেজ এনে দেবে।

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী মেলা 

পহেলা বৈশাখ মানেই চক বাজারসহ পুরান ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বসে ঐতিহ্যবাহী মেলা। এখানে পাওয়া যায় দেশি খাবার, খেলনা, মাটির সামগ্রী এবং পুরান ঢাকার নিজস্ব বৈশাখী পরিবেশ।

  

মাত্র ২০ দিনের ব্যবধানে শাহজাদপুরে ২ জন মানুষ হ*ত্যা হয়েছে। শান্তি প্রিয় শাহজাদপুরে বেড়ে চলেছে সন্ত্রা*সী কর্মকাণ্ড। এর দায় নিবে কে?

 

 
মাত্র ২০ দিনের ব্যবধানে শাহজাদপুরে ২ জন মানুষ হ*ত্যা হয়েছে। শান্তি প্রিয় শাহজাদপুরে বেড়ে চলেছে সন্ত্রা*সী কর্মকাণ্ড। এর দায় নিবে কে?

চলুন দেখে আসি কি কি এই ১ মাসে ঘটেছে-

 
২১ মার্চ(ঈদের দিন) — কায়েমপুরে এক যুবকের গল| কাটা লা*শ উদ্ধার

 
১ এপ্রিল — বাজারে দোকানে হামলা এবং ব্যবসায়ী অন্তরকে কুপি*য়ে আহত করা।

 
১০ এপ্রিল — তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে থানাঘাট এলাকায় ভয়াবহ মারামারি, একাধিক ব্যক্তি গুরুতর আহত।

 
১১ এপ্রিল (গতকাল) — চরা চিথুলিয়ায় ঘাসের জমি থেকে আরেকটি লা*শ উদ্ধার।

 

কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় ২০ আনসার ব্যাটালিয়নের একটি গাড়িবহর ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।

 কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় ২০ আনসার ব্যাটালিয়নের একটি গাড়িবহর ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।

কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় ২০ আনসার ব্যাটালিয়নের একটি গাড়িবহর ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। আজ দুপুর আনুমানিক ১৩:০০ ঘটিকার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

​সূত্র মারফত জানা গেছে, ২০ আনসার ব্যাটালিয়ন (মানিকছড়ি, খাগড়াছড়ি) তাদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে স্থলাভিষিক্ত হওয়ার উদ্দেশ্যে ০৩ আনসার ব্যাটালিয়ন (খুলনা) অভিমুখে রওনা হয়েছিল। পথিমধ্যে কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় পৌঁছালে ব্যাটালিয়নের বহরে থাকা তিনটি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।


​দুর্ঘটনায় গাড়ি তিনটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আনসার সদস্য আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা এবং উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে প্রেরণের ব্যবস্থা করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতের সঠিক সংখ্যা বা নিহতের কোনো নিশ্চিত সংবাদ পাওয়া যায়নি।

​ব্যাটালিয়ন স্থানান্তরের (মুভমেন্ট) সময় এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনাকবলিত স্থান পরিদর্শন করছেন এবং উদ্ধার কাজ তদারকি করছেন।

​সতর্কবার্তা: মহাসড়কে বা যেকোনো সড়কে চলাচলের সময় গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ ও সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। আমরা আহত আনসার সদস্যদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুন।

প্রশিক্ষণ শেষে কর্মসংস্থান: দিনাজপুরে ১৩ আনসার-ভিডিপি সদস্যের চাকরি নিশ্চিত

 প্রশিক্ষণ শেষে কর্মসংস্থান: দিনাজপুরে ১৩ আনসার-ভিডিপি সদস্যের চাকরি নিশ্চিত


বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর দিনাজপুর জেলার আঞ্চলিক কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ১৩ জন সদস্যের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদেরকে Singer Bangladesh, Walton, PRAN-RFL Group এবং Square Group-এ চাকরির সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে।
 
উক্ত ১৩ জন সদস্য গত ০১ মার্চ ২০২৬ হতে ১৩ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত দিনাজপুর জেলার আঞ্চলিক কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে সফলভাবে কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। প্রশিক্ষণ শেষে জেলা আনসার-ভিডিপি কার্যালয়, দিনাজপুর কর্তৃক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সাথে পূর্ব যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হয়।
 
আধুনিক ও মানসম্মত প্রশিক্ষণ প্রদানের পাশাপাশি জেলা কমান্ড্যান্ট-এর কার্যালয় থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। চলমান প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্য থেকেও আরও কারিগরি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের চাকরি প্রদানে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহ আশ্বাস দিয়েছে।
 
প্রশিক্ষণের পাশাপাশি চাকরি প্রাপ্তির ব্যবস্থা হওয়ায় ১৩ জন আনসার - ভিডিপি সদস্য অত্যন্ত আনন্দ প্রকাশ করেন। তারা কর্মমুখী কারিগরি প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টির জন্য বাহিনীর সম্মানিত মহাপরিচালক মহোদয় এবং আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, দিনাজপুর-এর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আরও এক মাস বাড়লো, নতুন সময়সীমা ১৫ মে

 


জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ব্যতীত অন্যান্য সব করদাতার জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আরও এক মাস বৃদ্ধি করেছে। এখন ২০২৫–২০২৬ করবর্ষের রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে আগামী ১৫ মে পর্যন্ত। অর্থাৎ কোম্পানিগুলো এই সময়সীমার মধ্যে রিটার্ন দিতে পারবে। 

সোমবার (১৩ এপ্রিল ) জারি করা আদেশে এনবিআর এ সিদ্ধান্ত জানায়। 

আদেশে বলা হয়, আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৩৩৪-এর দফা (খ) অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, যেসব করদাতার অর্থবছর ৩০ জুন ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হয়েছে— তাদের জন্য নির্ধারিত রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ পুনরায় এক মাস বাড়িয়ে ১৫ মে নির্ধারণ করা হলো। 

এনবিআর সূত্র জানায়, করদাতাদের রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল প্রক্রিয়া সহজতর করা এবং নির্ধারিত সময়ে অধিক সংখ্যক রিটার্ন জমা নিশ্চিত করতেই এই সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আদেশে সংশ্লিষ্ট সব কর অঞ্চল, কর কমিশনার কার্যালয়, কর আপিল অঞ্চল, বৃহৎ করদাতা ইউনিট, গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটসহ এনবিআরের বিভিন্ন দফতরে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।    

পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী ইরানের উপসাগরীয় অঞ্চলের সব বন্দর অবরুদ্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

 


পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী ইরানের উপসাগরীয় অঞ্চলের সব বন্দর অবরুদ্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ইরানের স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে আনুষ্ঠানিক অবরোধ শুরু হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড।

 

এর আগে মার্কিন সেনারা বলেছিল, বিশ্বের যে কোনো দেশের পতাকাবাহী জাহাজের ক্ষেত্রে এ অবরোধ কার্যকর হবে। তারা জানায়, যেসব জাহাজ ইরানের বন্দরের দিকে যাবে বা আসবে তার সব জাহাজকে আটকানো হবে।

কিন্তু উপসাগরীয় অন্যান্য দেশের বন্দরে গেলে অবরুদ্ধের আওতায় পড়তে হবে না।

মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, “মার্কিন সামরিক বাহিনী ওমান উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালীর পূর্বে আরব সাগরে অবস্থানরত সকল দেশের পতাকাবাহী জাহাজের ওপর অবরোধ আরোপ করতে যাচ্ছে।”

 

“অনুমতি ছাড়া অবরোধকৃত এলাকায় কোনো জাহাজ প্রবেশ করলে বা সেখান থেকে বের হলে সেটিকে পথিমধ্যে আটক করা, গতিপথ পরিবর্তন করতে বাধ্য করা অথবা জব্দ করা হতে পারে। তবে এ অবরোধ ইরান বন্দর বাদে অন্যান্য বন্দরে যাওয়ার ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না।”

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এ অবরোধের জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়ছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড। বাহিনীটির এক মুখপাত্র বলেছেন, “পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগরের সব বন্দরের নিরাপত্তা থাকতে হবে, নয়ত কোনো বন্দর নিরাপদ থাকবে না।”

বিপ্লবী গার্ডের এ মুখপাত্র যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ এবং ‘সামুদ্রিক দস্যুতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর ইরান হরমুজে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়। দেশটি জানায়, ইরানের শত্রুদের কোনো জাহাজ এই পথ দিয়ে আর চলতে পারবে না।

বিশ্বের ২০ শতাংশ জ্বালানি এই গুরুত্বপূর্ণ রুটটি দিয়ে সরবরাহ করা হয়। উপসাগরীয় যত দেশ আছে তারা তাদের উৎপাদিত তেল ও গ্যাস হরমুজ দিয়ে রপ্তানি করে থাকে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

 

 

 

ঈদের ছুটিতে নদী, ইতিহাস ও স্থাপত্যের টানে যেতে পারেন সিরাজগঞ্জে

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পরিবার নিয়ে স্বল্প খরচে ঘুরতে চাইলে যমুনা তীরের জেলা সিরাজগঞ্জ হতে পারে আদর্শ গন্তব্য। এখানে নদী, ইতিহাস, স্থাপত্য, নৌভ্রমণ এবং বিনোদনের সমন্বয়ে পুরো দিন কাটানো সম্ভব। জেলা শহর থেকে প্রতিটি দর্শনীয় স্থানের দূরত্ব, যাতায়াত, খোলার সময়, টিকিট এবং দর্শনার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া হলো।

পুরাতন জেলখানা ঘাট ও সিরাজগঞ্জ পৌর শিশুপার্ক


সিরাজগঞ্জের সবচেয়ে জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থানটি হলো পুরাতন জেলখানা ঘাট৷ জেলা শহর থেকে প্রায় ৫ কিমি দূরে যমুনা নদীর পাড়ে অবস্থিত পুরাতন জেলখানা ঘাট। রিকশা বা অটোরিকশায় জনপ্রতি ২০-৩০ টাকায় পৌঁছানো যায় এখানে। ঘাটে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনো টিকিট কাটাঁর প্রয়োজন হয় না। এখানে যমুনা নদীর প্রাকৃতিক দৃশ্য, সূর্যাস্ত, পরিবারসহ ঘুরে বেড়ানোর জন্য সবচেয়ে সুন্দর ও মনোরম জায়গা। যমুনার বাতাস অশান্ত মনকে শান্ত করে দিতে পারবে খুব সহজেই।


পাশেই রয়েছে সিরাজগঞ্জ পৌর শিশু পার্ক। এই পার্ক সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে এবং প্রবেশমূল্য ৩০ টাকা জনপ্রতি। এখানে শিশুদের জন্য রাইড রয়েছে। ঈদে ভিড় বেশি হলেও পরিবারসহ ঘুরতে খুব উপযোগী একটি জায়গা এটি।

সিরাজগঞ্জ শহররক্ষা বাঁধ (হার্ডপয়েন্ট)


পুরাতন জেলখানা ঘাট থেকে ২-৩ কিমি হাঁটলেই পৌঁছানো যায় এই বাঁধে। যমুনার ভাঙন থেকে শহর রক্ষার জন্য নির্মিত দীর্ঘ বাঁধটি বর্তমানে দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্র। এখানে স্বাধীনতার স্মৃতিস্তম্ভ ও ‘Love Sirajganj’ ফটোগ্রাফ স্পট রয়েছে। এটিও ফ্রি ও সবসময় উন্মুক্ত।

চায়না বাঁধ


পুরাতন জেলখানা ঘাট কিংবা হার্ডপয়েন্ট থেকে নৌকা ভ্রমণ করে মাত্র ২০ মিনিটে পৌঁছানো যায়। নৌকা ভাড়া জনপ্রতি ৪০ টাকা (যাওয়া-আসা মিলিয়ে), ঈদে সামান্য বেড়ে যেতে পারে। নৌকা ভ্রমণ ভোর ৭টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্তই উত্তম। নদীর কোলঘেঁষা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং শান্ত পরিবেশ পর্যটকদের মুগ্ধ করবে। এই বাঁধগুলো মূলত নদীভাঙন রোধে নির্মিত হলেও, এর পিচঢালা রাস্তা এবং যমুনার মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে প্রতিদিন প্রচুর দর্শনার্থী এখানে ভিড় করেন।


যমুনা সেতু ও যমুনা রেলসেতু


পুরাতন জেলখানা ঘাট বা চায়না বাঁধ থেকে নৌকায় নদীপথে প্রায় ৫ কিমি দূরেই যমুনা সেতু ও রেলসেতু নৌকা ভাড়া জনপ্রতি ১০০ টাকা (যাওয়া-আসা মিলিয়ে) ভাড়া দিয়েই সেতুর নিচে যাওয়া যায়। ভোর ৭টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নৌকা চলাচল করে। সরাসরি সেতুর নিচে একমাত্র নৌপথে যাওয়া সম্ভব, সড়কপথে বিশেষ অনুমতি ব্যতিত যাওয়া সম্ভব নয়। এখানে প্রবেশ ফ্রি এবং নদীর মাঝ থেকে বিশাল সেতুর দৃশ্য উপভোগ করা যায়। পাশে যমুনা নদীর চরে দাঁড়িয়ে মানুষজন সেতুর সঙ্গে ভালোভাবে ছবি তুলে ফ্রেমবন্দি করে রাখতে পারবেন।


রবীন্দ্র কাছারি বাড়ি ও জাদুঘর


সিরাজগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রায় ৪০ কিমি দূরে শাহজাদপুরে অবস্থিত রবীন্দ্র কাছারি বাড়ি। অষ্টাদশ শতকে নীলকুঠি হিসেবে ব্যবহৃত ভবনটি ১৮৪২ সালে প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর ক্রয় করেন। ১৮৯০ থেকে ১৮৯৬ সাল পর্যন্ত কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এখানে অবস্থান করে একাধিক সাহিত্যকর্ম রচনা করেন।

রবীন্দ্র কাছারি বাড়িতে কবির শৈশব থেকে প্রবীণ বয়সের আলোকচিত্র, পালকি, আসবাবপত্র, চিত্রকর্ম এবং সাহিত্যকর্ম সংরক্ষিত। দর্শনার্থীরা কবির স্মৃতি উপভোগ করতে এবং ছবি তুলতে পারেন।



জেলা শহর থেকে বাসে কিংবা সিএনজিতে পৌঁছানো যায়। সেক্ষেত্রে ৭০ টাকা দিয়ে নামতে হয় শাহজাদপুর উপজেলার বিসিক বাসস্ট্যান্ডে৷ এরপর সেখান থেকে অটোরিকশা তে সর্বোচ্চ ২০ টাকা ভাড়া দিয়ে কাছারি বাড়ি যাওয়া যায়৷ রবীন্দ্র কাছারি বাড়ি প্রতিদিন খোলা থেকে। তবে জাদুঘর সাপ্তাহের রোববার বন্ধ থাকে। আবার রমজান মাসে শুক্রবার বাদ জুমা পর্যন্ত বন্ধ থাকে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জাদুঘর ঘুরে দেখার সুযোগ রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের দর্শনার্থীদের টিকিট ২০ টাকা, বিদেশিদের ১০০ টাকা টিকিট ফির মূল্য রয়েছে৷

সলপে গেলে চিড়া-মুড়ির সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সলপের ঘোলের স্বাদ আপনাকে মুগ্ধ করবেই। প্রতিদিন ভোরে গ্রামের খামারিদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা তাজা গরুর দুধ আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা জ্বাল দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময় জ্বাল দেওয়ার পর সেই দুধ পাত্রে করে সারারাত রেখে দেওয়া হয়। সকালে জমে থাকা দুধের সঙ্গে চিনি ও বিশেষ উপকরণ মিশিয়ে তৈরি করা হয় সুস্বাদু এই পানীয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, প্রায় ১০০ বছরের ঐতিহ্য বহন করে আসছে সলপের ঘোল, যার সুনাম শুধু চলনবিল ও যমুনা নদীবেষ্টিত এই অঞ্চলে নয়, ছড়িয়ে আছে দেশজুড়ে।

অন্যদিকে, উল্লাপাড়া উপজেলার ফুলজোড় নদীর ওপর অবস্থিত ঐতিহাসিক ঘাটিনা রেলব্রিজ শুধু একটি যোগাযোগ অবকাঠামো নয়, এটি মুক্তিযুদ্ধের এক স্মরণীয় অধ্যায়ের সাক্ষী। সিরাজগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নির্মিত এই রেলসেতুর মূল উদ্দেশ ছিল রেলপথে মানুষ ও পণ্য পরিবহন সহজতর করা। আজও ব্রিজটির স্থাপত্য ও আশপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভ্রমণপিপাসুদের আকর্ষণ করে। ইতিহাস ও প্রকৃতির সংমিশ্রণ উপভোগ করতে চাইলে ঘাটিনা ব্রিজ হতে পারে আপনার জন্য এক আদর্শ গন্তব্য।

আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ ও এনায়েতপুর বাঁধ


জেলা শহর থেকে প্রায় ২২ কিমি দূরে অবস্থিত। বাস বা সিএনজি ব্যবহার করে সিরাজগঞ্জ জেলা শহরে আসতে হবে৷ এরপর ২০ টাকা রিকশা ভাড়া দিয়ে রেলগেট, সেখান থেকে বেলকুচিগামী সিএনজিতে ৫০ টাকা ভাড়া দিয়ে মসজিদে যাওয়া যায়। মসজিদটি সবসময় উন্মুক্ত থাকে। তবে রাতের সৌন্দর্য আরও বেশি সুন্দর। এখানে কোনো প্রবেশ ফি নেই।

মসজিদ থেকে ৯ কিমি দূরে এনায়েতপুর বেরিবাঁধ অবস্থিত। যেখানে অনুমতি ছাড়া খাজা ইউনূস আলী মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ সম্ভব নয়। তবে বাঁধের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়৷ মসজিদ থেকে এখানে আসতে ৩০ টাকার মতো প্রয়োজন হয়।



নবরত্ন মন্দির


জেলা শহর থেকে ৩৮ কিমি দূরে হাটিকুমরুল নবরত্ন মন্দির। সিরাজগঞ্জ রোড/হাটিকুমরুল গোলচত্বরে নেমে সিএনজি বা অটোরিকশা ব্যবহার করে ৫০ টাকা ভাড়া লাগে জনপ্রতি। সেখান থেকে মন্দির প্রাঙ্গণের ভাড়া ১০ টাকা। খোলা থাকে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫-৬টা। প্রবেশ ফ্রি এবং ভেতরে ছবি তোলার অনুমতি আছে। প্রাচীন স্থাপত্যের জন্য পর্যটকরা সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করতে পারবেন এখানে।


ঈদের ছুটিতে সিরাজগঞ্জে নদীর সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক স্মৃতিচারণ, স্থাপত্য দর্শন এবং নৌভ্রমণ মিলিয়ে পরিবারসহ আনন্দঘন সময় কাটানো সম্ভব। প্রতিটি স্থানে জেলা শহর থেকে সহজে যাওয়া যায় এবং কম খরচে ভ্রমণ করা যায়।





সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর



প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। সচিবালয়ে, ৪ মার্চ ২০২৬ছবি: পিএমও বাংলাদেশ ফেসবুক পেজ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (ভিডিপি) সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

আজ বুধবার সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ নির্দেশ দেন

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী দেশপ্রেম ও পেশাদারত্বে আনসার ও ভিডিপির নিরলস প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ ছাড়া সরকারপ্রধান জনগণের স্বার্থে সেবামূলক কাজ অব্যাহত রাখতে বাহিনীর সব সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান

এ সময় মহাপরিচালক আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ আনসার ও ভিডিপির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবহিত করেন।