Search This Blog

আপনাকে আপডেট নিউজ এর সাথে পেয়ে আমরা আনন্দিত এবং আপনার সাথে সমস্ত আপডেট শেয়ার করতে আগ্রহী। পরবর্তী আপডেটের জন্য আমাদের সাথেই থাকুন।
Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

আজকের সর্বশেষ খবর

নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন করে আনসার সদস্য থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

  নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন করে আনসার সদস্য থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা




কুচকাওয়াজে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য চারজন চৌকস প্রশিক্ষণার্থীকে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। সোমবার গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর আনসার ভিডিপি একাডেমিতে

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে সারা দেশের মোট ৪২ হাজার ৭৬৬টি ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতে ১৩ জন করে মোট ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯৫৮ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে প্রতিটি কেন্দ্রে থাকবেন ৩ জন অস্ত্রধারী, ৬ জন অস্ত্রবিহীন পুরুষ এবং ৪ জন অস্ত্রবিহীন নারী সদস্য।

আজ সোমবার সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরে আনসার ও ভিডিপি একাডেমিতে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত উপজেলা প্রশিক্ষক-প্রশিক্ষিকাদের মৌলিক প্রশিক্ষণ এবং ২৬ ও ২৭ তম ব্যাচ (পুরুষ) রিক্রুট সিপাহি মৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন উপদেষ্টা।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, অতিরিক্ত নিরাপত্তার অংশ হিসেবে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত ৩ জন অস্ত্রধারী সদস্যের মধ্য থেকে একজন নির্বাচনকালীন প্রিসাইডিং কর্মকর্তার সঙ্গে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি সারা দেশে এক হাজার ১৯১টি আনসার ব্যাটালিয়ন স্ট্রাইকিং ফোর্স টিম মোতায়েন থাকবে। প্রতিটি টিমে ১০ জন করে মোট ১১ হাজার ৯১০ জন সদস্য দায়িত্বে থাকবেন।

নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী সমন্বিত প্রস্তুতি গ্রহণ করে আসছে বলে জানান জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, নতুন প্রশিক্ষণ নীতিমালার আলোকে ইতিমধ্যে দুই লাখ ৫৫ হাজার ভিডিপি ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যা এবং ৩ হাজারেরও অধিক আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্যকে মৌলিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা কোনো রাজনৈতিক দলের বাহিনী কিংবা কোনো স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর রক্ষক নয়। বরং এটি রাষ্ট্রের নিরীহ জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বেতনভুক্ত সরকারি কর্মচারী। কোনো স্বার্থান্বেষী এজেন্ডা বা কোনো পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ডের অংশ না হন। সাহস মানে শুধু বিপদের মুখে দাঁড়ানো নয়; সাহস মানে অন্যায় আদেশকে না বলা, অন্যায়কে প্রশ্রয় না দেওয়া।

কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য চারজন চৌকস প্রশিক্ষণার্থীকে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানান উপদেষ্টা। শেষে আনসার সদস্যদের বেশ কয়েকটি দল নিজেদের শারীরিক সক্ষমতা কসরত ও আপৎকালীন সময়ে উদ্ধার তৎপরতা প্রদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের অভিভাবক ও বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

এর আগে আজ সকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সফিপুর আনসার ভিডিপি একাডেমির কমান্ড্যান্ট (ভারপ্রাপ্ত) নুরুল আফছার, গাজীপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেন, গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দীন প্রমুখ।



নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যদের জন্য সহজ ও নিরাপদ ভোটাধিকার: পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা

 **নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যদের জন্য সহজ ও নিরাপদ ভোটাধিকার: পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা**




আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন- ২০২৬ কে  সামনে রেখে প্রবাসে থাকা ভোটার, আইনি হেফাজতে থাকা ভোটার, ভোটার এলাকার বাহিরে অবস্থানরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন আইটি সাপোর্টেড পোষ্টাল ব্যালটের মধ্যমে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদানের জন্য ভোটারগনকে Postal Vote bd মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করে রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। 


বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সদস্যদের পোস্টাল ব্যালট এর মাধ্যমে ভোট প্রদানের নিমিত্তে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে। রেজিস্ট্রেশন ব্যতীত নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত বাহিনীর সদস্যরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদান করতে পারবেনা। 


চলুন দেখে নিই Postal Vote bd অ্যাপ রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু করে ভোট প্রদানের সম্পুর্ন প্রক্রিয়াঃ-  


ধাপ ০১: প্রথমে App Store অথবা Play Store থেকে Postal Vote BD App টি ডাউনলোড এবং ইনস্টল করুন।

ধাপ ০২: App টি চালু করুন এবং প্রথমে ভাষা নির্বাচন করুন।

ধাপ ০৩। প্রথমে রেজিস্ট্রেশন বাটনে ক্লিক করে একটি নতুন একাউন্ট তৈরী করুন।

ধাপ ০৪: বাংলাদেশ নির্বাচন করে আপনার মোবাইল নম্বর লিখুন ও সামনে এগিয়ে যান। এরপর আপনার মোবাইলে একটি OTP আসবে। OTP ঠিক হলে আপনার একাউন্ট এর পাসওয়ার্ড দিলে একাউন্টটি তৈরী হয়ে যাবে।

ধাপ ০৫: পুনরায় আপনার মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন 

ধাপ ০৬: এই ধাপে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের সামনের দিকের ছবি তুলে ভেরিফিকেশন করুন, লাইভলিনেস যাচাই করুন এবং আপনার সেলফি তুলুন।

ধাপ ০৭। এ পর্যায়ে যে ঠিকানায় ব্যালট পেতে চান তা সঠিকভাবে লিখুন 

ধাপ ০৮। এ পর্যায়ে ভোটারের আবেদনের তালিকা অনুযায়ী ব্যালট তৈরী হবে ও বিডি পোস্ট এর মাধ্যমে প্রেরণ করা হবে এবং ভোটার এই সংক্রান্ত স্ট্যাটাস তার app থেকে দেখতে পাবে।

ধাপ ০৯: প্রতীক নির্ধারণের পর ভোটার তার ব্যালটটি হাতে পাওয়ার পর পুনরায় মোবাইল app এ লগইন করতে হবে এবং লাইভলিনেস পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে সেই ব্যক্তিই সঠিক ব্যক্তি কিনা।  

ধাপ ১০: এ পর্যায়ে খামের উপরে থাকা QR কোডটি স্ক্যান করতে হবে এবং সঠিক মোবাইল দ্বারা QR কোডটি স্ক্যান করার পর ভোটার এর ব্যালট প্রাপ্তি নিশ্চিত করা হবে। এরপর ভোটার তার আসনে প্রার্থী ও প্রতীক দেখতে পাবে।

ধাপ ১১। ভোটার ব্যালট এর খামের নির্দেশিকা পড়ে স্বাক্ষর প্রদান করবেন এবং ব্ল‍্যাংক/ফাঁকা ব্যালটটি-তে প্রতীক এর পশে টিক বা ক্রস চিহ্ন দিয়ে ভোট প্রদান সম্পূর্ণ করবেন।

ধাপ ১২: এখন ব্যালটটিকে প্রথমে ব্যালটের খামে ঢুকাতে হবে এবং তা ফেরত খামে ভরে নিকটস্থ পোস্ট অফিস অথবা পোস্ট বক্সে জমা দিতে হবে।

ধাপ ১৩। ফেরত খামগুলি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসার এর নিকট পৌঁছে দেওয়া হবে।

ধাপ ১৪: ভোটের দিন তা গণনা করা হবে।

অবাধ,সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক ধারায় উত্তরণের এই গুরুত্বপূর্ণ যাত্রায় অংশীদার হওয়ার সুযোগ রয়েছে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের। রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার একটি কার্যকর মাধ্যম হলো পোস্টাল ভোটিং।

নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত বাহিনীর সকল সদস্যকে পোস্টাল ভোটিংয়ের মাধ্যমে তাদের মূল্যবান ভোটাধিকার প্রয়োগে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করা যাচ্ছে।

ঘরে বসেই জন্ম সনদ বাংলা থেকে ইংরেজি করবেন যেভাবে

 ঘরে বসেই জন্ম সনদ বাংলা থেকে ইংরেজি করবেন যেভাবে

ছবি: সংগৃহীত

পাসপোর্ট, ভিসা বা বিদেশে পড়াশোনার জন্য আবেদন করার সময় যদি জন্ম নিবন্ধন সনদ বাংলায় থাকে, তাহলে ঝামেলায় পড়তে হয়। এ ক্ষেত্রে জন্ম সনদ ইংরেজিতে রূপান্তর করা বাধ্যতামূলক হয়।

সুখবর হলো— ঘরে বসেই আপনি অনলাইনে এই কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন। বাংলাদেশ সরকারের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন পোর্টাল— bdris.gov.bd থেকে সহজেই জন্ম সনদ ইংরেজিতে রূপান্তর করা যায়।
Ad

বাংলা থেকে ইংরেজিতে রূপান্তরের পুরো প্রক্রিয়া ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হলো—

১. ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন

আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে bdris.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। এটি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য সরকার নির্ধারিত অফিসিয়াল পোর্টাল।

২. জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ দিন

‘জন্ম নিবন্ধন সংশোধন’ অপশনে ক্লিক করুন। এরপর আপনার ১৭ সংখ্যার জন্ম নিবন্ধন নম্বর এবং জন্ম তারিখ দিয়ে অনুসন্ধান করুন।

৩. নিবন্ধন কার্যালয় নির্বাচন করুন

যে অফিসে আপনার জন্ম নিবন্ধন হয়েছিল (ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন) সেটি সঠিকভাবে নির্বাচন করুন।

৪. ইংরেজিতে তথ্য পূরণ করুন

আপনার নাম, পিতামাতার নাম, ঠিকানা ইত্যাদি নির্ভুলভাবে ইংরেজিতে লিখুন। প্রতিটি ঘরে আলাদাভাবে তথ্য দিতে হবে।

৫. ঠিকানা ইংরেজিতে লিখুন

জন্মস্থান ও বর্তমান ঠিকানা ইংরেজিতে লিখুন। আবেদনকারীর মোবাইল নম্বর এবং বাবা-মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক (father/mother) উল্লেখ করতে হবে।

৬. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করুন

নিচের কাগজগুলো স্ক্যান করে আপলোড করুন (প্রতিটি ফাইলের সাইজ 976KB-এর মধ্যে রাখতে হবে)—

> জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)

> এসএসসি/এইচএসসি সার্টিফিকেট

> পুরানো জন্ম নিবন্ধন সনদ

৭. পেমেন্ট সম্পন্ন করুন

সব তথ্য আপলোডের পর ১০০ টাকার সরকারি ফি দিতে হবে। বিকাশ, নগদসহ মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে পেমেন্ট করতে পারবেন।

৮. আবেদন জমা দিন

সবকিছু ঠিক থাকলে ‘আবেদন জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করুন। জমা দেওয়ার পর একটি রেফারেন্স নম্বর পাবেন— এটি সংরক্ষণ করে রাখুন।

৯. প্রিন্ট কপি নিয়ে অফিসে জমা দিন

আবেদন জমা দেওয়ার পর প্রিন্ট কপি নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন অফিসে নির্ধারিত তারিখে জমা দিন।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এক নজরে—

> জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট

> মাধ্যমিক/উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট

> পুরানো জন্ম নিবন্ধন সনদ

এভাবেই আপনি ঘরে বসে সহজে জন্ম সনদ বাংলা থেকে ইংরেজিতে রূপান্তর করতে পারবেন।


প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটাররা Postal Vote BD অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করুন

প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটাররা Postal Vote BD অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করুন ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে। ব্যালট পৌছে যাবে আপনার ঠিকানায়।


 প্রবাসীরা প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন পোস্টাল পদ্ধতিতে 

পোস্টাল ভোট বিডি হল বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক তৈরি একটি অফিসিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন যা শুধুমাত্র দেশে এবং বিদেশে ভোটার তালিকাভুক্তি এবং ব্যালট পেপার ট্র্যাক করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। তবে, ভোটাররা ডাক পরিষেবা দ্বারা প্রেরিত পোস্টাল ব্যালট পেপারে ম্যানুয়ালি ভোট দিয়ে তাদের ভোটদান প্রয়োগ করবেন। ভোটাররা এই ব্যালট পেপারটি ডাক পরিষেবার মাধ্যমে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন। এই নিরাপদ এবং যাচাইকৃত প্ল্যাটফর্মটি যোগ্য ভোটারদের যেকোনো জায়গা থেকে সুবিধাজনকভাবে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে সক্ষম করে।







অ্যাপ ডাউনলোড লিংক:- Download




সিরাজগঞ্জে নারী ইউপি সদস্যকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী পলাতক

 

  সংগৃহিত ছবি  

সিরাজগঞ্জের শাহ্জাদপুরে পেয়ারা খাতুন নামে এক নারী ইউপি সদস্যকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী পলাতক রয়েছেন। শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 

নিহত পেয়ারা খাতুন রতনকান্দি গ্রামের হানিফ সরকারের মেয়ে। তিনি হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্যা ছিলেন। অভিযুক্ত আব্দুল আলীম হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। 

পেয়ারা খাতুনের বাবা হানিফ সরকার জানান, আব্দুল আলীমের স্ত্রী থাকা স্বত্বেও ব্লাককমেইল করে পেয়ারা খাতুনকে দ্বিতীয় বিয়ে করে। বিয়ের পর চাপ সৃষ্টি করে পেয়ারার কাছে থেকে ১৭ লাখ টাকা নেয়। এরপর থেকে নানাভাবে নির্যাতন করতে থাকে। এনিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। এই দ্বন্দ্বের জেরেই আব্দুল আলীম তার স্বজনরা পেয়ারাকে হত্যা করে পালিয়েছে।

শাহজাদপুর থানার ওসি মো. আছলাম আলী জানান, সকালে বসতবাড়িতে তালা দেখে সন্দেহ হওয়ায় এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সিরাজগঞ্জ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পেয়ারা খাতুনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।  ঘটনায় নিহতের বাবা হত্যা মামলা দায়ের করেছেন বলেও ওসি জানান।


সমুদ্রের নিচের ভূমিকম্পে বাংলাদেশে সুনামির ঝুঁকি কতটা?

আপডেট খবর


        --- প্রতীকী ছবি   

বাংলাদেশে গত এক সপ্তাহে বেশ কয়েকবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর মাঝে ২৬শে নভেম্বর বুধবার রাতে বঙ্গোপসাগরে চার মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছে।

গত ২৭ নভেম্বর ছয় দশমিক ছয় মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে ইন্দোনেশিয়ায়। এর কারণে বড় কোনো সুনামির খবর পাওয়া যায়নি।

তবে ইন্দোনেশিয়ায় অথবা আন্দামান নিকবোর দ্বীপের দিকে বড় ভূমিকম্প হলে বাংলাদেশেও সুনামির ঝুঁকি রয়েছে, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

যেমন ২০০৪ সালে ইন্দোনেশিয়ায় নয় দশমিক এক মাত্রার ভূমিকম্পে যেখানে দুই লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, সেই সুনামি আফ্রিকার দেশগুলো পর্যন্ত চলে গিয়েছিল। সেই সুনামির ধাক্কা বাংলাদেশেও লেগেছিল এবং তাতে দুজন মানুষের মৃত্যুর খবর জানা যায়।

সমুদ্রের নিচের ভূমিকম্প কেন হয়? সেগুলো কতটা বিপজ্জনক? আর বাংলাদেশে সুনামির ঝুঁকিই বা কতটা?

ভূমিকম্প ও সুনামি


ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা বলছেন, সাগরে যদি ভূমিকম্প ছয় দশমিক পাঁচ মাত্রার উপরে যায় তারপর সে সুনামি হবে কি না, সুনামি সার্ভিস প্রোভাইডাররা সেটা পর্যবেক্ষণ করেন। কোন জায়গায় কখন হিট করতে পারে, পানির উচ্চতা কতটা হতে পারে সেটা তারা এলার্ট করে। এটা আমরা সবময়ই টেস্ট বেসিসে করে আসছি।

তিনি বলছেন, বাংলাদেশে বঙ্গোপসাগরে প্রায়শই ছোট ছোট ভূমিকম্প হয়, তবে চার মাত্রা বা এর চেয়ে দুর্বল সেসব ভূমিকম্প থেকে বড় পর্যায়ে ক্ষতির শঙ্কা থাকে না।

আবার অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভূমিতে বড় ভূমিকম্প হলেও উপকূলে সুনামির শঙ্কা থাকে।

সমুদ্রের নিচে ভূমিকম্প কেন হয়?

আমাদের পৃথিবীর ওপরের অংশ বা ভূপৃষ্ঠ বিভিন্ন প্লেটে ভাগ করা। এই প্লেটগুলো সবসময় নড়াচড়া করে।

কোথাও প্লেট একে অপরকে ঠেলে দেয়, কোথাও পাশ কাটিয়ে যায়, আবার কোথাও নিচে ঢুকে যায়। এমন ক্ষেত্রে যেমন ভূমিকম্প হয়, তেমন আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকেও ভূপৃষ্ঠে কম্পন সৃষ্টি হতে পারে।

এটি মাটির উপরে বা পানির নিচে যে কোনো জায়গায় হতে পারে।

২৩ কোটি থেকে ২৮ কোটি বছর আগেও পৃথিবীর সব মহাদেশ মিলে এরকম একক ভূখণ্ড ছিল বলে তত্ত্ব রয়েছে। এটিকে বলা হয় প্যাঞ্জিয়া। টেকটনিক প্লেটের ক্রমাগত অবস্থান পরিবর্তন থেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে অনেকগুলো ভূখণ্ড হয়েছিল বলে জানা যায়। এর সপক্ষে অনেক ধরনের প্রমাণও রয়েছে।

এর মাঝে একটি পানির নিচে থাকা দীর্ঘতম পর্বতমালা মিড আটলান্টিক রিজ যেভাবে পৃথিবীকে ভাগ করেছে। এর মাত্র ১০ শতাংশ মাটির উপরে যা আইসল্যান্ডে পরিষ্কার দেখা যায়।

তাহলে সুনামি কীভাবে তৈরি হয়?

সুনামি অনেকটা বিশাল আকারের জলোচ্ছ্বাসের মতো। সাধারণত ভূমিকম্প হলেই সুনামি হয় না। সুনামির জন্য ভূমিকম্প খুব শক্তিশালী হতে হয়। এছাড়া মোটামুটি অগভীর সমুদ্রতলে এরকম কম্পন সৃষ্টি হওয়াটাও একটা ফ্যাক্টর হতে পারে।

আর এমন কম্পন সমুদ্রের তলদেশকে উপরে বা নিচে ঠেলে দিলে, বিশাল পরিমাণ পানি সরে গেলে সেটি সুনামি ঘটাতে পারে। এমন বিভিন্ন বিষয়ের সমন্বয় থেকে সুনামি হতে পারে।

বাংলাদেশে সুনামির ঝুঁকি কতটা?

এমনিতে প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীতে ভূতাত্বিকভাবে সবচেয়ে সক্রিয় অঞ্চল যেটাকে রিং অফ ফায়ার বলা হয়। এরম বিভিন্ন সক্রিয় অঞ্চল বা সাবডাকশন জোন থাকে।

বড় সুনামি সৃষ্টিকারী সাবডাকশন জোনগুলো বাংলাদেশ থেকে বেশ দূরে। বাংলাদেশ দুইটা বড় টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলে রয়েছে, যা চট্টগ্রাম-আরাকান থেকে আন্দামানের দিকে চলে গেছে।

তবে বাংলাদেশে সুনামির ঝুকি নিয়ে অবশ্য ভিন্ন ভিন্ন ধরনের পর্যবেক্ষণ রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের অনেকের মতে, বাংলাদেশের খুব কাছাকাছি, সাগরের নিচে খুব নিকটবর্তী সময়ে বড় ভূমিকম্প এবং তা থেকে সুনামির শঙ্কা নেই।

'নরমালি ভূমিকম্প থেকে ওইরকম সুনামির ঝুঁকি নেই, কিন্তু আন্দামান নিকোবরে হলেও ওটা আমাদের জন্য একটা সোর্স অঞ্চল। আমরা টেস্ট বেসিসে সবসময় রেডি থাকি, এটা হলে যেন আমরা সাথে সাথেই সাবধানতা অবলম্বন করতে পারি,' -বলছিলেন ফাজানা সুলতারনা।


অতীতের নানা নথিপত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই অঞ্চলে ১৯৬২ সালে আরাকান কোস্টে প্রায় সাড়ে আট মাত্রার একটি ভূমিকম্প থেকে বড় সুনামি হয়েছিল।

বিবিসির এর আগের একটি প্রতিবেদনে ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলেছিলেন, এই প্লেটে ভূমিকম্প হলে অবশ্যই বড় সুনামির আশঙ্কা রয়েছে। তবে এখানে খুব তাড়াতাড়ি এই বড় ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

সে সময়কার তথ্যে জানা যায়, তখন বড় ধরনের সুনামির তৈরি হয়েছি, যা উপকূল থেকে অনেকদূর পর্যন্ত ভেতরে এসে পৌঁছেছিল। যদিও তখন মানুষ কম ছিল বলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হয়তো তত বেশি হয়নি। তবে ঢাকায় নদীর পানি বেড়ে গিয়ে পাঁচশো মানুষের মৃত্যু হয়েছিল বলে জানা যায়।

ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলেন, এরপর আর এই অঞ্চলে এত বড় ভূমিকম্প বা সুনামির তথ্য পাওয়া যায় না। আমাদের হিসাবে, একবার ভূমিকম্প হওয়ার পর ওই প্লেটে শক্তি সঞ্চয় হয়ে পরবর্তী ভূমিকম্প হতে আরো ৫০০ থেকে ৯০০ বছর লেগে যায়। সেই হিসাবে এখানে ওই প্লেটে (আরাকান প্লেটে) ভূমিকম্প হতে আরো দুইশো-আড়াইশো বছর বাকি আছে।

ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ 'ফানেল শেপ' অবস্থায় রয়েছে অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে সমুদ্র দক্ষিণ দিতে প্রসারিত হয়ে গেছে।

সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলেছিলেন, আন্দামান বা ভারত মহাসাগরে যদি বড় সুনামি তৈরি হয়, ফানেল শেপ হওয়ার কারণে তার প্রভাব কিছুটা বাংলাদেশে এসেও লাগবে। যদিও সেটা হয়তো ইন্দোনেশিয়ার মতো অতোটা ভয়ানক হবে না।

ভূমিকম্প সম্পর্কে খুব আগেভাগে সতর্ক করা সম্ভব না হলেও যেহেতু ভূমিকম্পের পরে পানিতে সুনামির সৃষ্টি হয়, ফলে সুনামি সম্পর্কে আগেভাগে সতর্ক করা যায়।

তবে বাংলাদেশের জন্য সমুদ্রে ভূমিকম্পের চেয়ে ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে যে ভূমিকম্পের যে ঝুঁকি রয়েছে সেটিই এখন বেশি শঙ্কার জায়গা, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। 




ভূমিকম্প হওয়ার আগে করণীয়-

                                                 --- প্রতীকী ছবি   

বাংলাদেশ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ভারতীয়, বার্মিজ ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলের নিকটে অবস্থিত। এ কারণে দেশটি ভূমিকম্প ঝুঁকির উচ্চ অঞ্চলের তালিকায় রয়েছে। ২০১১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশে বহু ভূমিকম্প ঘটেছে।

EarthquakeList.org–এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে ৩০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে গত ১০ বছরে প্রায় ৫৫৩টি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে, যার মাত্রা ছিলো ৪.০ বা তার বেশি । অর্থাৎ গড়ে প্রতি বছর প্রায় ৫৫টি ভূমিকম্প এই অঞ্চলে ঘটে থাকে।

বিজ্ঞাপন

২১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ড হতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫ দশমিক ৭ বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহওয়া অধিদপ্তর। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য মতে, শিশুসহ ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছে অনেকে। জনবহুল নগরায়ন, অপরিকল্পিত নির্মাণকাজ এবং সচেতনতার অভাব ভবিষ্যতে এ ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি করছে। তাই ভূমিকম্প মোকাবিলায় বৈজ্ঞানিক গবেষণা, সচেতনতা বৃদ্ধি, দুর্যোগ সহনশীল অবকাঠামো ও জরুরি সাড়াপ্রদানের প্রস্তুতি অত্যন্ত জরুরি। তাই, আসুন জেনে নেই ভূমিকম্পের আগে, ভূমিকম্পের সময় এবং ভূমিকম্পের পরে আমদের ঠিক কোন বিষয়গুলোর উপর জোর দিতে হবে।

ভিডিও ফুটেজ



ভূমিকম্প হওয়ার আগে করণীয়-
১. ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ
★ তাক, আলমারি ও শেলফ দেয়ালে শক্তভাবে আটকানো আছে কিনা নিশ্চিত করুন
★ ভারী বা বড় জিনিস নিচের তাকগুলোতে রাখুন।
★ কাঁচ, বোতলজাত খাবার ও ভঙ্গুর জিনিসপত্র নিচের দিকের লকযুক্ত কেবিনেটে রাখুন।
★ ভারী ছবি, আয়না বা দেয়াল সাজসজ্জার জিনিস বিছানা, সোফা বা বসার জায়গার ওপরে ঝুলাবেন না।
★ ছাদের লাইট, ফ্যান বা ঝাড়বাতি ভালোভাবে ব্রেস বা মজবুতভাবে লাগানো আছে কিনা নিশ্চিত করুন।
★ গ্যাস ও বিদ্যুতের লাইন পরীক্ষা করুন—কোথাও লিকেজ আছে কিনা দেখুন।
★ বড় আলমারি, বুকশেলফ ও কেবিনেট দেয়ালে আটকান।
★ ফাটল বা দুর্বল দেয়াল ঠিক করে নিন, কারণ এগুলো ধসে পড়তে পারে।
২. ঘর, স্কুল বা অফিসে নিরাপদ জায়গা শনাক্তকরণ
★ বিম ও কলামের সংযোগস্থলের নিচে অবস্থান - এটি সাধারণত ভবনের সবচেয়ে শক্ত অংশ।
★ মজবুত টেবিলের নিচে নিরাপদ অবস্থান- মজবুত টেবিলটি দেয়ালের কোণ বা শক্ত ভিতরের দেয়ালের পাশে রাখুন। এটি পড়ে যাওয়া জিনিস থেকে সুরক্ষা দেয়।
★ ত্রিভুজাকার নিরাপদ অবস্থান - ধসে পড়া জিনিসের পাশের খালি জায়গায় অবস্থান করা—যেখানে “লাইফ ট্রায়াঙ্গেল” তৈরি হয়।
★ দুটি দেয়ালের কোণ বা শক্ত ভিতরের দেয়ালের পাশে - এটি ধসে পড়া বস্তু থেকে সুরক্ষা দেয়।
৩. পরিবারের সবাইকে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ কীভাবে বন্ধ করতে হয় সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিন
৪. জরুরি সরঞ্জাম যেমন টর্চলাইট ও অতিরিক্ত ব্যাটারি, প্রয়োজনীয় ওষুধ, জরুরি খাবার ও পানি, নগদ টাকা ও ব্যাংক কার্ড, ফার্স্ট এইড কিট প্রস্তুত রাখুন
৫. জরুরি যোগাযোগ পরিকল্পনা তৈরি করুন। ভূমিকম্পের সময় যদি পরিবার সদস্যরা আলাদা হয়ে যায়, তাহলে কোথায় পুনর্মিলিত হবেন, তার পরিকল্পনা করুন। এলাকার বাইরে এমন একজন আত্মীয় বা বন্ধুকে “ফ্যামিলি কন্টাক্ট” নির্ধারণ করুন এবং পরিবারের সবাই যেন ওই ব্যক্তির নাম, ঠিকানা এবং ফোন নম্বর জানে।
৬. স্থানীয় এবং জাতীয় জরুরি নম্বরগুলো হাতের কাছে রাখুন। আপনার নির্ধারিত সমাবেশ এলাকাটি আগেই ঠিক করে রাখুন।
ভূমিকম্পের সময় করণীয়-
১. শান্ত থাকার চেষ্টা করুন, আতঙ্ক ছড়াবেন না।
২. DROP – COVER – HOLD পদ্ধতি অর্থাৎ নিচে ঝুঁকে পড়ুন । মাথা থেকে গলা পর্যন্ত ঢেকে মজবুত আসবাবের নিচে আশ্রয় নিন। ঘাড়ের পেছনে দুই হাত রাখুন, মুখ–মাথা সুরক্ষিত করুন। ৬০ পর্যন্ত গণনা করুন—এটি মানসিকভাবে শান্ত রাখে এবং বেশিরভাগ ভূমিকম্প ৬০ সেকেন্ডের কম স্থায়ী হয়।
৩. বিপজ্জনক বস্তু যেমন কাঁচের জানালা,বুকশেলফ, আলমারি, ভারী আসবাব, ছাদের লাইট, ফ্যান বা ঝুলন্ত ফিটিংস থেকে দূরে থাকুন।
৪. ভবন, বিদ্যুতের খুঁটি, সেতু, গাছপালা থেকে দূরে থাকুন
৫. আশেপাশের ধসে পড়ার ঝুঁকি আছে এমন জায়গা এড়িয়ে চলুন
৬. সেতু, ওভারপাস বা ভবনের খুব কাছে গাড়ি থামাবেন না
৭. তাড়াহুড়া না করে নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিন
ভূমিকম্প হওয়ার পরে করণীয়
১. নিজের ও অন্যের অবস্থা যাচাই করুন। ছোটখাটো আঘাত পেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিন
২. লিফট ব্যবহার করবেন না, সিঁড়ি ব্যবহার করুন এবং চিহ্নিত নির্গমন পথ ধরে সমাবেশ এলাকায় পৌঁছান
৩. দ্বিতীয় ধাপের ঝুঁকি যেমন ভাঙা কাঁচ, দেয়াল বা ছাদের অংশ ঝরে পড়া,আগুন লাগা, গ্যাস লিকেজ সম্পর্কে সতর্ক থাকুন
৪. আফটারশকের জন্য প্রস্তুত থাকুন
৫. ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে পুনরায় প্রবেশ করবেন না
৬. প্রয়োজনমতো প্রাথমিক চিকিৎসা দিন
৭. ঝুঁকি এড়ানোর ব্যবস্থা নিন
৮. সংবাদ ও সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করুন
জনস্বার্থে- বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।



বাংলাদেশ আনসার ওয়েলফেয়ার ট্টাস্টের বিশেষ বাস সার্ভি বাস চালু প্রসঙ্গে।


 বাংলাদেশ আনসার ওয়েলফেয়ার ট্টাস্টের বিশেষ বাস সার্ভিস  প্রাথমিক ভাবে ট্টাস্টের ২টি বাস প্রতি শনিবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ও রংপুর রুটে চলাচল করবে । 


বাহিনীর সদস্যদের জন্য প্রচলিত ভাড়ার তুলনায় ৩০% কম ভাড়ায় এই সেবা প্রদান করা হবে।

                     
                               রুট                   বাস ছাড়ার সময়                   ছাড়ার স্থান                            ভাড়া       

ঢাকা - রংপুর            রাত ১০:০০ টা        আনসার ও ভিডিপি সদর দপ্তর        ৫৫০ টাকা

ঢাকা - চট্টগ্রাম          রাত ১০:০০ টা        আনসার ও ভিডিপি সদর দপ্তর        ৫৫০ টাকা


চট্টগ্রামগামী যাত্রীরা ট্রাস্টের শাটল সার্ভিস (ছোট বাস ) ব্যবহার করে 
বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি যেতে পারবেন।

 
টিকিট নিশ্চতকরনের জন্য যোগাযোগ : ০১৭৭৭৭১৫৮২৪
( সহকারী পরিচালক আলামিন )